বলাগড়ে গ্রেফতার ৭ বাংলাদেশী

 আনন্দবাজার পত্রিকা

৯ ফেব্রুয়ারি, ২০০৬


বলাগড়ে পর্যবেক্ষকের হাতে পাকড়াও সাত বাংলাদেশি


নিজস্ব সংবাদদাতা: ভারতীয় নাগরিক

হিসাবে তাঁরা কেউই কোনও পরিচয়পত্র দেখাতে

পারেননি। অথচ সবার কাছেই মজুত ভোটার পরিচয়পত্র। পর্যবেক্ষকের গুঁতোয় এ বার পুলিশ

গ্রেফতার করল সাত বাংলাদেশি নাগরিককে,

ঘটনাটি হুগলির বলাগড়ের। পর্যবেক্ষক এন

শিবশৈলম ভোটার তালিকা ধরে ধরে পরিচয় যাচাই করছিলেন। নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এই বাংলাদেশি নাগরিকদের জেরা করতে শুরু করেন তিনি। নাগরিকত্বের প্রমাণ দেখাতে না পারায় শিবশৈলমের নির্দেশে এফআইআর করেন বলাগড়ের বিডিও। তার জেরেই ধরা হয় সাত জন বাংলাদেশিকে।


হুগলির পুলিশ সুপার সুপ্রতিম সরকার বলেন, "বিডিও-র অভিযোগের ভিত্তিতে বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।” বলাগড়ের বিভিন্ন এলাকায় বসবাসকারী মোট ৮০ জনের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর করা হয়েছিল মঙ্গলবার, তাঁদের মধ্যে ধরা হয় ৭ জনকে।


ভোটার তালিকা ত্রুটিমুক্ত করতে আরামবাগ বিধানসভা কেন্দ্রে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তদন্তের

নির্দেশ দিয়েছেন শিবশৈলম। ভোটার তালিকায় নাম তোলা, বাতিল, সংশোধন ও স্থানান্তরের ক্ষেত্রে শুদ্ধকরণ প্রক্রিয়ায় আরামবাগ মহকুমা প্রশাসনের প্রশংসা করেও শিবশৈলম আরামবাগের মহকুমা শাসক উত্তম পাত্র এবং বিডিও পূর্ণেন্দু মাজিকে বলেন, “ভোটার তালিকা সম্পূর্ণ ত্রুটিমুক্ত করতে দরকার হলে বাড়ি বাড়ি যান।” পূর্ণেন্দুবাবু বুধবার জানান, আরামবাগ বিধানসভা কেন্দ্রে ১১ হাজার নাম বাতিল হওয়ার পরেও পর্যবেক্ষকের নির্দেশে ফের বাড়ি বাড়ি তদন্ত শুরু হচ্ছে ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে, চলবে ১১ তারিখ পর্যন্ত। বি ডি ও দফতর সূত্রের খবর, ওই তদন্তের কাজের জন্য দফতরের সব কর্মীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে।


 বর্ধমানের ভোটার তালিকায় নাম তোলার আবেদন জমা না-নেওয়ায় পর্যবেক্ষকের নির্দেশে আবেদনকারী গৃহবধূর কাছে ক্ষমা চাইতে বাধ্য হলেন মহকুমাশাসকের দফতরের প্রধান করণিক। বুধবার দুপুরে বর্ধমান শহরে প্রশাসনিক ভবনের দোতলায় নির্বাচন দফতরের অফিসার ইন চার্জ শ্যামল মণ্ডলের ঘরে ঢোকেন পর্যবেক্ষক রবীন্দ্রনাথ দাস। শহরের দুবরাজদীঘি এলাকার বাসিন্দা শাহজাদী বেগম তার কাছে অভিযোগ করেন, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য তিনি আবেদনপত্র জমা দিতে গেলেও বর্ধমান (উত্তর) এর মহকুমা শাসকের দফতরের প্রধান করণিক তপনকুমার গঙ্গোপাধ্যায় তা জমা নিতে চান নি। তিনি বলেন, "তপনবাবু উল্টে আমাকে বলেন, পর্যবেক্ষক দেখবেন না। তাকে লিখে দিতে বলুন। তাহলে জমা নেব।"


জেলা ছাড়ার আগের দিন অস্বস্তিকর অবস্থার মুখোমুখি হলেন পূর্ব মেদিনীপুরের পর্যবেক্ষক দীপক প্রসাদ। বুধবার তিনি গিয়েছিলেন নন্দকুমারের বরগোদাগোদা গ্রামে।। পর্যবেক্ষকের পা জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন এক দল লোক। ব্যাপারটা কী? সি পি এমের আক্রমণে ঘরছাড়া তৃণমূল-সমর্থকেরা সাত দিন পরেও ঘরে ফিরতে পারছেন না। পুলিশ অভিযুক্তদের ধরার ব্যবস্থা করেনি। বিব্রত পর্যবেক্ষক সঙ্গে থাকা পুলিশ সুপারকে ডেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষীদের গ্রেফতারের নির্দেশ দেন। এই বিষয়ে আজ, বৃহস্পতিবারেই তাঁকে রিপোর্ট দিতে বলেছেন পর্যবেক্ষক। আক্রান্তেরা অভিযোগ করেন, ঘরবাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি তাঁদের ভোটার পরিচয়পত্রও ছিনতাই করেছে সিপিএম। পর্যবেক্ষক সব পরিচয়পত্র উদ্ধারের নির্দেশ দেন।……..






মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

তৃণমূল নেত্রী ফের সংসদে

ভাতে কেরোসিন যাত্রাপুরে, অভিযোগ বাংলাদেশী

যদা যদা হি ধর্মস্য... গীতার এই শ্লোকে ঠিক কী বলা হয়েছে?