স্কুলের স্মৃতি - নীলিমা বিশ্বাস

 স্কুলের স্মৃতি

নীলিমা বিশ্বাস

জন্মস্থান ছিয়ানব্বই গ্রামের অধিনস্থ

ভুলবাড়িয়া গ্রামে

আমার বর্তমান নিবাস কল্যানী, নদীয়া, পশ্চিমবাংলা, ভারত। আমার স্কুলের

রেকর্ড অনুযায়ী আমার জন্ম ১৩ ই সেপ্টম্বও এর ১৯৫৫ সালে। আমার মামার রেকর্ড

অনুযায়ী ১৯৫৭ সালের জানুয়ারীতে। গ্রাম ভুলবাড়ীয়া মনিবামপুর থানার যশোর

জেলার অধীনে। আমার বাবার নাম পঞ্চানন বিশা¦ স। কিন্তু স্কুল রেকর্ড পঞ্চরাম

বিশ্বাস। আমার বাবা একজন ভাল ফুটবলার ছিলেন। জেলার হয়ে ইডেনে ও

খেলেছেন। আমার মা রূপবাসী বিশ্বাস জীবনে মাত্র একদিন স্কুলে গিয়েছিলেন।

আমার ছোট কাকা মশিয়াহাটী স্কুল থেকেই ম্যাট্রিক পাশ করে ইন্ডিয়াতে চলে

আসেন। ভারতে এসে প্রাইমারী স্কুলে শিক্ষকতা করতেন।

আমি আমাদের গ্রামের একটা প্রাইভেট স্কুলে পড়াশুনা করতাম। তালপাতা ও

দোয়াতে কালি নিয়েই স্কুলে যেতাম। ওখানে যেদিন কাগজ ধরতে গিয়েছিলাম আমার

ঠাকুর মা একধামা খৈ তে গুড় মাখিয়ে ও পাটালী বানিয়ে দিযে ছিলেন। যাই হোক

ওখানে ক্লাসে যখন উঠলাম স্কুল বন্ধ হয়ে গেল। তখন তালের ঠোঙ্গা করে বরই

তলায় একটা প্রাইমারী স্কুলে খাওয়া শুরু করি। আমার ঠাকুর মা পছন্দ না করার তাও

বন্ধ হয়ে গেল। আমার মেজ পিসীমা এসে আমাকে হাট গাছায় নিয়ে গেলেন। আমার

পিসে মশাই হাটগাছায় বলাই মন্ডল ঐ এলাকার একজন গন্যমান্য ব্যাক্তি ছিলেন।

আমার দিদি গীতা আমাকে কুলটীয়া জুনিয়ার গার্লস স্কুলে ভর্ত্তি করলেন। দিদিই

আমার নাম দিয়ে ছিলেন নীলিমা বিশ্বাস। বার্ষিক পরীক্ষার মাত্র ১০/১২ দিন বাকী।

গ্রামের স্কুলে খাতা হাতের লেখা শেখাতেন না তাই পরীক্ষা দিতে বসে বড় বড় করে

লিখেছি খাতা শেষ হয়ে গেছে কিন্তু অনেক প্রশড়ব লিখতে বাকী, দিদি পাশের দোকান

থেকে আমার কাগজ কিনে এনে দিলেন, ফের লেখা শুরু করলাম। পাশ করে তৃতীয়

শ্রেনীতে উঠলাম। μমান্বয়ে চতুর্  শ্রেনীতে উঠলাম। দিদির তখন বিয়ে হয়ে গেল।

দিদি ভারতে চলে গেল। পঞ্চম শ্রেনীতে উঠলাম। আমার স্কুলে তখন বড় দিদিমনি

ছিলেন শ্রীমতি সরলা রায়, মেজ দিদি মনি ছিলেন সবিতা বিশ্বাস, ছোট দিদিমনি,

স্মৃতি বালা বিশ্বাস, মাস্টার মশায় ছিলেন প্রধান শিক্ষক বিমনেন্দু মল্লিক, জয়গোপাল

বৈরাগী মহেন সরকার, নিরোদ বাবু ইত্যাদি। পঞ্চম শ্রেণীতে এইবার বৃত্তি পরীক্ষা

দিতে হবে। ফর্ম পূরন হলো পরীক্ষা সেন্টার মনিরামপুর হাইস্কুলে। আমাদের শ্রদ্ধেয়

শিক্ষক শ্রী জয় গোপাল বৈরাগী আমাদের মনিরামপুরে ঘোষ বাড়ীতে রেখে পরীক্ষা

দেওয়ার সমস্ত ব্যবস্থা করে ছিলেন। দ্বায়িত্ব নিয়ে আমাদের সমস্ত ব্যবস্থা সুন্দর

ভাবেই করেছিলেন। ফেরার সময় আমাদের বাড়ী হয়ে সবাই ফিরেছিলেন। আমি খুব

আনন্দ পেয়েছিলাম। ইতি মধ্যে আমি যখন পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ি তখন আমাদের

স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসাবে জয়েন্ট করেন। আমাদের গ্রামেন শ্রী শিবপদ বিশা¦ স ঐ

সময় পঞ্চম শ্রেনীতে বৃক্তি পেয়েছিল রেবা বৈরাগী (সুজাতাপুর)। ক্ষমান্বয়ে অষ্টম

শ্রেনীতে উঠলাম। আমি প্রতি বৃহস্পতিবার আমার হেড স্যারের সঙ্গে বাড়ী ফিরতাম

ও শনিবার উনার সঙ্গে স্কুলে যেতাম। আমার আর দুই বোন গান্ধারী বিশ্বাস ও অনিতা

বিশ্বাস আমার স্কুলেই ভর্ত্তি হয়েছিল। আমাদের স্কুল হাইস্কুল হয়ে গেল। আমার

মাস্টার মশায় স্কুলের পথে ও আমাকে ইংরাজী বা অন্য বিষয়েও প্রশড়ব করতেন।

যথাসাধ্য উত্তর দিতাম, না পারলে আবার শেখাতেন। অনেক সময় ছুটির দিনে

আমাদের বাড়ীতেও যেতেন এবং আমাকে পড়াতেন। হেড স্যার এবং অন্যান্য

শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও উদ্যামে উৎসাহিত হয়ে আমরা পড়াশুনা করতাম। ক্লাস

এইটের বৃত্তি পরীক্ষার পাশ করতেই হবে। আমাদের বৃত্তি পরীক্ষার সেন্টার ছিল

যশোর জেলা স্কুলে। আমাদের হেড স্যার আমাদের নিয়ে হটেলে থেকে পরীক্ষা

দেওয়ার ব্যবস্থাকরেন। পরীক্ষার শেষে আমাদের সিনেমা দেখিয়ে ছিলেন। আমরা

নবম শেন্র ীতে উঠে গেলাম। রেবা ও বিশাখা সায়েন্স নিয়ে বয়েজ স্কুলে

অর্থাৎ মশিয়াহাট হাইস্কুলে চলে গেল। আমি আমার স্কুলে থেকে আর্টস নিয়ে পড়াশুনা

শুরু করলাম। ওদের দুজনকে হারিয়ে বড় একা মনে হত। বৃত্তির রেজাল্ট হলো বেরা

বৈরাগী ও বিশাখা বৈরাগী (হাটগছা) ও আমি বৃত্তি পেলাম। আমি যখন ৭ ম শ্রেনীতে

পড়ি তখন আমার পিসীমা মারা গেলেন। সংসারের যাবতীয় কাজ করে ¯ু‹লে যেতে

হত। পড়াশুনা একমাত্র কতটুকু সময় পেতাম। এমন ও হয়েছে কবিতা, ছায়া ওদের

যেতে দেখে তাড়াতাড়ি দুৃটো খেয়ে দৌড়ে ওদের ধরেছি ওরা বলল তুই মাথা

আচড়াস নি। বই ওদের কাছে রেখে ফিরে বাড়ী এসে চুল আচড়ে দৌড়ে ওদের ধরে

নিয়েছি। তিন জনে এক সঙ্গে স্কুল থেকে বৃত্তি আমরাই পেয়েছিলাম তাই শিক্ষকরা

খুব খুব খুশী হয়েছিলেন। যেবার ক্লাস নাইনে উঠলেই হাট গাছার ইঞ্জিনিয়ার সুফল

বৈরাগীর সঙ্গে রেবার বিয়ে হয়ে গেল। ও খুলনা কর্নেশান গার্লস স্কুলে ভর্ত্তি হলো।

তারপর নাইন পেরিয়ে টেনে উঠলাম। প্র ম পরীক্ষা দ্বিতীয় পরীক্ষা হলো তারপর

টেস্ট পরীক্ষা হলো খুব ভালো মাকর্স পেলাম। শিক্ষক গন বিশেষ করে প্রধান শিক্ষক

খুব খুশী হলেন। এদিকে আমার পিসীমা হেড স্যারের স্ত্রী সুনীলা বিশ্বাস আমাদের

সাথে পরীক্ষ দেবেন। খুবই স্টুডিয়াস ছিলেন উনি আমাদের গ্রামের প্রাইমারী স্কুলে

শিক্ষকতা করতেন। পরে স্কুল সরকারী হয়ে গেল। এইবার ভোট হলো ভোটে

আত্তয়াম লীগ পার্টী অর্থাৎ মুজিবর রহমান জয় লাভ করলেন ও প্রধান মন্ত্রী হলেন।

স্কুল বন্ধ ছিল ঐ সময় বাড়ীতে থাকতাম ও স্যারের বাড়ীতে পিসীর সঙ্গে পড়াশুনা

করছি হঠাৎ রেডিওতে মুজিরের গলার ভাষন যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে যুদ্ধের

জন্য তৈরী হও। বুজলাম নির্ধারিত সময় পরীক্ষা হওয়া সম্ভব নয়। তবুও পড়া

ছাড়িনি। তারপর ভীষন গন্ডগোল শুলু হলো। হিন্দুদের উপরে অত্যাচার, এদিকে

আমার মা তখন শয্যাশয়ী আমাদের পাশের বাড়ীর পিসেমশাযের গরুর গাড়ীতে তুলে

দিয়ে আমরা সবাই পায়ে হেটে রওনা হলাম ভারতের উদ্দেশ্যে। গ্রামের সবাই এক

সঙ্গে যাচ্ছি মাঝে মাঝে পথে সবাই এক জায়গায় বিশ্রাম নেওয়া হত। তখন মার সঙ্গে

দেখা হত। মাকে তুলে তুলে খওয়াতে হতো। আমরা ভারতে শারনার্থী হয়ে চলে

এলাম। শরনার্থী কার্ড করে রিলিফ পেতাম তাই দিয়ে যে ভাবে হোক চলত।

যুদ্ধ শেষে বাংলাদেশ স্বাধীন হলে আমরা ১৯৭২ জানুয়ারীতে আবার বাড়ী

ফিরে গেলাম। বাড়ী গিয়ে আবার সরকারী রিলিফ দিছেন সংসার চলত আমার বাবার

বাড়ীতে গিয়ে খেজুর গাছ কাটা শুরু করলেন ওটাই আমাদের বাড়ীর তখন একমাত্র

আর্থিক রোজগার। আমার বই গুলি এক মুসলমান বাড়ীতে রাখা ছিল। বাড়ীতে গিয়ে

বই গুলো নিয়ে এসেছিলাম। পরীক্ষার উধঃব ঠিক হলো । আমরা স্কুলে গিয়ে সবাই

এডমিট কাডর্  নিয়ে এলাম। সবাই মিলে মনিরামপুর সেন্টারে পরীক্ষা দিলাম। রেজাল্ট

আউট হলো। আমাদের স্কুল থেকে আমরা সাতজন প্র ম বিভাগ, আট জন দ্বিতীয়

বিভাগ ও একজন তৃতীয় বিভাগে পাশ করলাম। প্রতি বৎসর আমাদের স্কুলে

বাৎসারিক পুরস্কার বিতরনী সভা হতো। আমাদের মনিশয়াহাটী এলাকার অর্থাৎ ঐ

গ্রামেরই বলতে পারি একজন সম্মনীয় ব্যাক্তি উপেন মল্লিক (উকিল) মহাশয় প্রতি

বছর একজন মšী¿ কে এই সভায় আমন্ত্রন করে নিয়ে আসতেন। বেশীর ভাগ আসতেন

শিক্ষামšী¿ । সুন্দর করে গেট ও মঞ্চ সাজানো হতো। গাড়ীর এলে গেটের সামনে

নামতেন। আমাদের শ্রদ্ধেয় মাস্টার মহাশয় রবীন বাবু ছেলেদেও স্কাউটের দল নিয়ে

উনাদের বরন করে আনতেন।

মঞ্চে আসন গ্রহনের পর শুরু হতো মেয়েদের সমবেদত কন্ঠে উদ্ভোদনী

সঙ্গীত।

আধার ও রজনী অবসানে আজি

খুলিয়া উষার সোনালী দ্বার।

এর পর গীতা পাঠ ও কোরান পাঠ। তারপর ছেলে ও মেয়েদের আবৃতি, গান।

প্রধান শিক্ষকের ভাষন। এর পর শুরু হতো ব্রতচারী। আমি ক্লাস সিক্স থেকে প্রতি

বৎসর অংশ গ্রহন করতাম।

ব্রতচারীতে অনেক গান ছিল

চল কোদাম চাপাই ভূলে মনের বালাই

চল আর কচুরী নাশি

এই রাক্ষসীদের বাংলাদেশের দিচ্ছে গলায় ফাঁসি

কাঠি নাচের খেলার গান

চল চল চল

বিঘ ড়ব বাধায় না করি ডর

দর্পে গা ফেলী ধরনী পর

----------------- ইত্যাদি।

কাঠি সামালা রে বাই কাঠি সামালো

বাবুদের বাড়ীর শঙ্খ চিলের বাসারে ভাই

ইত্যাদি ইত্যাদি ----------- ভগবান হে খোদা তালা হে

তার ছিল ঝুমুর নৃত্য শুরু হতো এক দুই, এক দুই, তির চার, পাঁচ ছয় আর গান মনে

নেই। আমাদের পুরস্কার বিতরন দেওয়া হত বার্ষিক ফলাফলের ভিত্তিতে প্র ম,

দ্বিতীয় তৃতীয় স্থান অধিকারীদের আবৃতি ও গানের প্রতি যোগীদের মধ্যেও প্র ম,

দ্বিতীয়, তৃতীয় স্থান অধিকারী, ভালো হতো লেখা গুড কনডাক্ট গুড হেলথের জন্য

পুরুস্কার দেওয়া হত প্রধান অতিথি সবার হাতে পুরুস্কার তুলে দিতেন। তারপর

প্রধান অতিথির ভাষন দিতেন। সভা শেষ ঘোষনা করা হতো। এই বিতরনী সভা

গার্লস ও বয়েজ স্কুল এক সঙ্গে মিলেই হতো।

আমাদের গার্লস স্কুলে প্রতি বৎসর শিক্ষক ছাত্রী মিলে এক বনভোজন হতো।

মেয়েরা ও দিদি মনিরাই মিলে রানড়বা করতেন। একবার বনভোজন শেষ হতেই প্রচন্ড

কালবৈশাখী ঝড় শুরু হলো । আমি আর বিশখা (অন্য কার নাম মনে নেই) বড় দিদি

মনির বাড়ী রাত্রি থেকে গেলাম ও সকালে উঠে বাড়ীর গেলাম।

আমাদের স্কুলে অংক করাতেন পরেশবাবু হোট গাছা নিরাপদ বাবু

(সুজাতাপুর) ছোটো দিদিমনি শেলাই শেখাতেন। শ্রদ্ধেয় স্যার প্রমথ বাবু গান

শেখাতেন ও সংস্কৃত পড়াতেন। আমাদের সাবজেক্ট ছিল প্রমথ বাবু পড়াতেন ।

শ্ের দ্ধয় নিরোদ বাব ু আমাকে মায়া কাজল বলে ডাকতেন।

স্বাধীনতা দিবসে অর্থাৎ ১৪ই আগষ্ট মহেন বাবু মেয়েদের দুটি লাইন করে

হেলার ঘাট হয়ে মহিষ দিয়ার ভিতর দিয়ে নেহালপুর ও লখাই ডাঙ্গার উপর দিয়ে

আমাদের স্কুলে নিয়ে আসতেন স্কুলে এসে বিস্কতঁ খেতে দিতেন। মাস্টার মশায়

বলতেন পাকিস্থান আমরা বলতাম জিন্দাবাদ, ১৪ আগষ্ট জিন্দাবাদ সারা পথেই

বলতে বলতে আসতাম। নেহালপুর ঝাউ গাছটা দেখা হতো। স্বাধীনতা দিবসে

নিরোদ বাবু সবাইকে ছোট গল্প লিখতে বলতেন। লিখে আবার নিজেকেই পাঠ করে

শুনাতে হতো। তাতে আবার প্র ম ও দ্বিতীয় ঘোষনা হতো। নিরোদ বাবুই আমাদের

স্কুলে আবৃি ত শেখাতেন। পরম শ্রদ্ধেয় উপেন মল্লিক মহাশয় (উকিল) মšী¿ দের

আমন্ত্রন করে বার্ষিক বিতরনী সভায় আনার সমস্ত ব্যবস্থা করতেন। । আমাদের

স্কুলের বাৎসরিক পরীক্ষার ফলাফল ঘোষনা দিন শ্রদ্ধেয় বীরেন বাবু নাম ডাকতেন,

আমরা একে একে সব স্যারদের প্রনাম করতাম। আমাদের স্কুল থেকে প্র ম যে

বৎসর এস.এস.সি পরীক্ষা দিল প্রায় বেশীর ভাগ স্যারদের গার্ডের জন্য মনিরাপুর

সেন্টারে তুলে নিয়ে গেল। আমাদের তখন বয়েজ স্কুলে ক্লাস করতে যেতে হয়েছিল।

সেই সুবাদে বীরেন বাবুর সাথে অংক ক্লাস করার সুযোগ পেযেছিলাম। মনোরঞ্জন

বাবুর কাছে বাংলা ও অন্যান্য স্যারদের সাথে ক্লাস করায় সুযোগ পেয়েছি ও নিজেকে

অনেক ধন্য মনে হয়েছিল। এই অনুভূতির ও অভিজ্ঞতার কথা জীবনে ভুলতে

পারিনি। আমাদের স্কুলে সর¯ত^ ী পূজা, পূজার দিন সকালে এক সঙ্গে সবাই পূজা

দেওয়ার, সেই দিনের স্মৃতি হয়ে রহে গেছে। এক বছর আমাদের ভুলবাড়ীয়ার

যাত্রদল “নাচ মহল” যাত্রা করেছিলেন। আমাদের হেড স্যার মুর্শিদ কুলীখার ভূমিকায়

অভিনয় করে ছিলেন। মশিখাটীর বিজয় সম্মীলনীর কথা ও অসাধারণ ভাবে আমার

মনে দাগ কেটেছে। সরস্বতী পূজার মশিয়াহাটীর বয়েজ স্কুলে ও যাত্রা, পুতুল নাচ,

ইত্যাদি অনুষ্ঠান হতো, আমার পিশোমশাই নিজে আমাকে দেখতে নিয়ে যেতেন।

আমার জীবন সাথী গত ২৭ শে এপ্রিল (২০২১) শে চলে গেছেন গত

মশিয়াহাটী স্কুলের শতবার্ষিকী অনুষ্ঠানে আমাকে নিয়ে গিয়ে ছিলেন এখন আমি

একাই চলছি। সব শেষে ভগবানের কাছে কমনা করি যে সব মহান ব্যাক্তিরা আমাদের

স্কুল প্রতিষ্ঠা করে ছিলেন তাঁদের আত্মার শান্তি কামনা করি। তাঁদের পতি রইল

আমার শতকোটি প্রনাম। যেসব ব্যাক্তিগন এই স্কুলের শত বার্ষিক অনুষ্ঠানের

আয়োজন করেছেন তাদের প্রতি রইল আমার হৃদয়ের হৃদয়স্থল থেকো অনেক

শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা।

স্কুলটীয়া গার্লস হাই, স্কুল জিন্দাবাদ।থথ


মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

তৃণমূল নেত্রী ফের সংসদে

যদা যদা হি ধর্মস্য... গীতার এই শ্লোকে ঠিক কী বলা হয়েছে?

ভাতে কেরোসিন যাত্রাপুরে, অভিযোগ বাংলাদেশী