অসমের নাগরিকপঞ্জি : নাম বাদ

তপধীর বাবুর (অসম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য) নাম বাদ পড়েছে। উনি উনার মতো আরো কয়েকজনের নাম উল্লেখ করেছেন, যাদের নাম এন আর সি থেকে বাদ গেছে। উনি লিখেছেন, কাগজ ছেপেছে, আমরা ও কর্তৃপক্ষ জেনেছি এবং সবাই এও জানি এসব ঠিক হয়ে যাবে।

তাঁর লেখার গুরুত্ব ও প্রয়োজন-- দুইই আছে। তাদের নাম বাদ পড়লে অন্যদের হাল যে কি, এটাও বোঝা যায়। কিন্তু বোঝা দরকার যে, সংশোধিত তালিকায় যখন তাঁদের নামগুলো অন্তর্ভুক্ত হবে, তখন অন্যান্য হাজার হাজার সাধারণ মানুষগুলির নামগুলো অন্তর্ভুক্ত হবে না।

দুঃখের হলো 2003 সালের আইন তৈরির শুরুর সময় ও তার পরে এই কালা আইনের বিরুদ্ধে বাঙালি রাজনৈতিক ও বুদ্ধিজীবী সমাজ এগিয়ে আসেন নি, কাগজগুলিও প্রায় নীরব। দেরিতে হলেও,সেটা এখন করা দরকার।

আমার মতো 'সংকীর্ণ' লোকের ধারণা --- বাঙালি রাজনৈতিক সমাজ, প্রচার মাধ্যম ও বুদ্ধিজীবী সমাজ ইত্যাদি কেউ এ ব্যাপারে বেশিদূর এগোবেন না। কারণ অচিরে তাঁরা বুঝে যাবেন যে, এই শক্তিশেল কার্যত আঘাত করবে দলিতদের, হতে পারে কিছু প্রকৃত ভারতীয় মুসলমানকেও।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

তৃণমূল নেত্রী ফের সংসদে

যদা যদা হি ধর্মস্য... গীতার এই শ্লোকে ঠিক কী বলা হয়েছে?

ভাতে কেরোসিন যাত্রাপুরে, অভিযোগ বাংলাদেশী