উৎপলের পার্টি আলোচনা
আমি কোনো দলে নেই, তাই ছোট ছোট দলের ঐক্যের আলোচনায় আমি নেই। উৎপলের নিজের অনেক সমস্যা আছে, আমি তাতে বাড়তি ঝামেলা যোগ করতে চাই না।
আমরা মনে উৎপলরা ও আমি/আমরা একবার একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম কিন্তু ও সেখান থেকে পাল্টি খায় এবং তার পর পরই এন ডি পি আই-এ যোগ দেয়। আমার মনে হয়েছিল পুরোনো বি এস পি-দের মত মেনে ও এটা করে। আমি জানি তারা আমার সাথে চলতে চায় না। আমিও তাদের ধ্যান ধারণাকে বেঠিক মনে করি। সে অবস্থা আজও আছে। তাই আমি সেখানে গেলে অশান্তি বাড়বে। উৎপল না জানতে পারে কিন্তু আমি জানি মনোজকে সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দিলে উৎপলের পাশে থাকা ওই সব লোক বি এস পি তে ফিরে যাবে। এমন সব লোকের পরে ভিত্তি করে নুতন দল হয় না।
লোকে যাই বলুক-- আমার ধারণা ঐক্যের পথে বাধা নেতৃত্বের টানাটানি নয়। প্রকৃত পক্ষে নেতাই নেই। রবিবারের বাইরে অন্য দিনে কাজ করার কেউ নেই। যারা পার্টি নিয়ে/পার্টির ভাবনায় বিনিদ্র রাত কাটান বলে বলেন/লেখেন, তাদের মধ্যে বাজার করা বাদ রেখে বা অন্নপ্রাসনের নিমন্ত্রণ ছেড়ে পার্টির মিটিংয়ে যাওয়া লোক কোথায়!
আম্বেদকর জিন্দাবাদ বলায় হয়তো অনেকে আমরা একমত কিন্তু আম্বেদকরের নীতি নির্দেশ জানা বোঝায়, বিচার বিশ্লেশনে এতটাই প্রভেদ যে, তা নিয়ে এক পার্টিতে চলা যায় না। সেগুলির সমাধান করে নেওয়া দরকার। কিন্তু সমস্যা হলো আম্বেদকরের উপর কোনোদিন কিছু পড়েন নি, এমন লোক নিজেকে বিশেষজ্ঞ মনে করেন। তবুও তা অতিক্রম করা যায়, যদি মন খোলা থাকে। কিন্তু অনেকেই বদ্ধমূল ধারণার শিকার।
উৎপলের আলোচনায় কোনো ভিত্তি নেই। এসব নিয়ে তার অভিজ্ঞতা নেই। কিন্তু যা ভালো, তা এই যে, সে হয় তো তা খানিকটা বোঝে, ও মানে। মনটা খোলা আছে, মনের থেকে ভালো কিছু চায়। কিন্তু সেটুকু দিয়ে যা আজ দরকার তা হয় না।
ও একটা পেপার প্লেস করুক। নিজে তৈরি করুক, অন্যদেরও তৈরি করে আলোচনার জন্য প্লেস করতে বলুক। বিতর্কের জায়গায় প্রয়োজনে আম্বেদকরের লেখা নিয়ে বসে মিলিয়ে বিতর্ক মিটাক। এ ধরণের পদ্ধতি নিক। মনগড়া কথা আম্বেদকরের বাণী বলে চালানো বন্ধ হোক।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন