পোস্টগুলি

অক্টোবর, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বাাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে বেআইনিভাবে বাংলাদেশে ঢুকেছেন গত ১০ দিনে এমন ২০৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে বাংলাদেশের প্রথমশ্রেণীর দৈনিক "প্রথম আলোর" খবর। তাঁরা দাবি করেছেন যে, তারা মূলত বাংলাদেশি, কাজের জন্য ব্যাঙ্গালোরে ছিলেন। এখন ভারতে নাগরিকপঞ্জি হবার খবরে ভয় পেয়ে ভারত ত্যাগ করে চলে যাচ্ছেন। বেনাপোল ও অন্যান্য সীমান্ত দিয়েও এই ধরণের আরো কিছু মানুষ ভারত ছেড়ে বাংলাদেশে ফিরে যাচ্ছেন বলে খবর শোনা যাচ্ছে। গরিব মানুষ কাজের খোঁজে যারা ভারতে এসেছিলেন, ভারতে বর্তমান সমস্যায় তারা ফিরে যাওয়াকেই তুলনামূলক কম বিপদজনক বলে মনে করছেন। যারা বাংলাদেশে গ্রেফতার হবেন বলা যায় তবু তারা ভাগ্যবান। খোঁজ খবর নিয়ে বাংলাদেশ সরকার হয়তো তাদের মুক্তি দেবেন। তারা গ্রামে ফিরতে পারবেন। কিন্তু ভারতে যারা কারাবন্দি হবেন, তাদের দুর্ভোগ হতে পারে  সীমাহীন! কাজের খোঁজে গরিব মেহনতি মানুষ দেশান্তরিত হয়ে থাকেন। তাদের প্রতি সব সরকারের নমনীয় হওয়া উচিত। তাদের প্রতি মানবিক আচরণ করা উচিত, দুই দেশের সরকার তা করুক। দুই দেশের জনগণকেও বিষয়টি সঠিকভাবে বুঝতে হবে। সোজা চোখে দেখতে হবে, ব্যাখ্যা করতে হবে ও প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত কর...

হরিচাঁদ ঠাকুর

মতুয়া ধর্ম-দর্শন ও আন্দোলনের স্রষ্টা হরিচাঁদ ঠাকুর। তাঁর পূর্ব নাম ছিল হরিদাস বিশ্বাস। তাঁরা ছিলেন পাঁচ ভাই, হরিদাস মেজোভাই। সবাই ধার্মিক, ধর্মপরায়ন ভাল মানুষ ছিলেন। তাই এলাকার লোকজন ঠাকুর নামে ডাকতেন, পরে পদবী হয়ে যায় ঠাকুর। হরিদাস নামে না ডেকে গুণমুগ্ধরা বলতে শুরু করেন হরিচাঁদ। এই পরিবারের আদি গ্রাম ফরিদপুর জেলার সফলাডাঙ্গা গ্রামে। সম্পন্ন চাষী পরিবার ছিল ; কিন্তু জমিদার-গোমস্তার সাথে বিবাদ ও বিরোধের কারণে  মিথ্যা মামলা/অভিযোগ দায়ের করে তাঁদের সর্বস্বান্ত করা হয়, পরিবারটি ভিটা থেকে উচ্ছেদ হয়। কিছুদিন রামদিয়া গ্রামের সেনদের বাড়িতে থাকার পর তাঁরা তাঁদের মামাদের গ্রাম ওড়াকান্দিতে স্থায়ী হন। ওড়াকান্দি ও সংলগ্ন বিস্তীর্ণ অঞ্চল হলো ডোবা বিল এলাকা এবং এ ছিল চন্ডাল মানুষ অধ্যুষিত। হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্ম হয় ১৮১২ সালে, মারা যান ১৮৭৮ সালে ৬৬ বছর বয়সে। মতুয়া ধর্ম ও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে দুটি নাম একসঙ্গে উচ্চারিত হয়। অন্য নামটি হরিচাঁদ পুত্র গুরুচাঁদ ঠাকুর, তাঁর জন্ম ১৮৪৬ সালে এবং মৃত্যু ১৯৩৭ সালে। অর্থাৎ দুইজন প্রতিষ্ঠাতাদের কর্ম চঞ্চল সময়কাল মোটামুটি ১০০ বছর। বাংলার অধিকাংশ চন্ডালের (প...

বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে বেআইনিভাবে বাংলাদেশে ঢুকেছেন গত ১০ দিনে এমন ২০৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে বাংলাদেশের প্রথমশ্রেণীর দৈনিক "প্রথম আলোর" খবর। তাঁরা দাবি করেছেন যে, তারা মূলত বাংলাদেশি, কাজের জন্য ব্যাঙ্গালোরে ছিলেন। এখন ভারতে নাগরিকপঞ্জি হবার খবরে ভয় পেয়ে ভারত ত্যাগ করে চলে যাচ্ছেন। বেনাপোল ও অন্যান্য সীমান্ত দিয়েও এই ধরণের আরো কিছু মানুষ ভারত ছেড়ে বাংলাদেশে ফিরে যাচ্ছেন বলে খবর শোনা যাচ্ছে। গরিব মানুষ কাজের খোঁজে যারা ভারতে এসেছিলেন, ভারতে বর্তমান সমস্যায় তারা ফিরে যাওয়াকেই তুলনামূলক কম বিপদজনক বলে মনে করছেন। যারা বাংলাদেশে গ্রেফতার হবেন বলা যায় তবু তারা ভাগ্যবান। খোঁজ খবর নিয়ে বাংলাদেশ সরকার হয়তো তাদের মুক্তি দেবেন। তারা গ্রামে ফিরতে পারবেন। কিন্তু ভারতে যারা কারাবন্দি হবেন, তাদের দুর্ভোগ হতে পারে  সীমাহীন! কাজের খোঁজে গরিব মেহনতি মানুষ দেশান্তরিত হয়ে থাকেন। তাদের প্রতি সব সরকারের নমনীয় হওয়া উচিত। তাদের প্রতি মানবিক আচরণ করা উচিত, দুই দেশের সরকার তা করুক। দুই দেশের জনগণকেও বিষয়টি সঠিকভাবে বুঝতে হবে। সোজা চোখে দেখতে হবে, ব্যাখ্যা করতে হবে ও প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত কর...